ডলোমাইট-লাইম-৮২৫%, ক্যালসিয়াম ২০% ম্যাগনেসিয়াম- ১১%, সালফার- ১৫%, বোরন-০৩%, জিংক-০৫%, লৌহ-০.৫০% আদ্রতা- ০৩% এছাড়া সহযোগী উপাদান আলফা ন্যাপথালিক এসিটিক এসিড।
ব্যবহারের উপকারিতায়ঃ
জমি তৈরির সময় শেষ চাষের আগে অথবা ফসলে সেচ দেয়ার পূর্বে বা আগাছা নিয়মের সময় একর প্রতি ৩-৪ কেজি আলোক ডলো প্রাইম ব্যবহার করা যেতে পারে। আলোক ডলো প্রাইম অতি আবেদনশীল রুটিং এজেন্ট' দ্বারা তৈরী। তাই একর প্রতি অনুমোদিত মাত্রার বেশি বা কম না করার উপক্রম।
ফসলের নাম | মাত্রা |
ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, করলা, কাঁকরোল, পটল, ঝিঙ্গা, শিম, বরবটি, পেঁপে, তুলা, তরমুজ, মরিচ। | ৩-৪ কেজি |
বেগুন, মরিচ | ৩-৪ কেজি |
ধান, গম | ৩-৪ কেজি |
আলু, আদা, পিয়াজ, রসুন, ভুট্টা, গাজর, ওলকচু | ৪-৫ কেজি |
আখ, কলা, পান আনারস | ৯ কেজি |
নার্সারী ও বীজ তলা | ৪-৫ কেজি |
ডলো প্রাইম
শিকড় দ্রুত বৃদ্ধি করে তাই ফলন বৃদ্ধি পায়।
ব্যবহারের উপকারিতাঃ
১। আলোক ডলো প্রাইম জমির তৈরীর সময় শেষ চাষের আগে ছিটিয়ে দিয়ে বীজ বপন বা চারা রোপন করলে বীজের অংকুরোদগম ও শিকড় এর বৃদ্ধি ত্বরান্নিত হয়। প্রতিটি জীবিত বীজ থেকে সুস্থ্য সবল ও বলিষ্ঠ চারা দ্রুত গজায়, তাই ফলন বাড়ে।
২। আলোক ডলো প্রাইম ব্যবহারে চারাগুলো শুরুতেই খুব শক্তিশালী হয়ে গজায় এবং শিকড়ের সংখ্যা স্বাভাবিক অপেক্ষা অনেক বেশী ও দীর্ঘ হয়। ফলে ফসল মাটি থেকে অধিক খাদ্য গ্রহণ করতে পারে তাই ফলন বৃদ্ধি পায়।
৩। আলোক ডলো প্রাইম ব্যবহারে বীজের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে সুপ্ততা ভেঙ্গে ফেলে। ফলে মাটিতে ঠান্ডা আবহাওয়াতে ও শীতকালে যে সকল বীজ গজাতে অনেক সময় লাগে এই সকল বীজ থেকেও চারা অল্প সময়ে বেরিয়ে আসতে সাহায্যকরে।
৪। আলোক ডলো প্রাইম ব্যবহারে রূপান্তরিত কাজ যেমনঃ আলু, পিয়াজ, রসুন, আদা, গাজর, শালগম ইত্যাদির কোষ বিভাজন ত্বরাড়িত করে।
৫। আলোক ডলো প্রাইম এ আছে বিশ্বস্বীকৃত রুট হরমোন এনএএ (NAA) ফলে প্রতিকূল কৃষিজ পরিবেশে যেমন- অতি শীত বা অতি খরা পরিবেশে গাছের খাদ্য গ্রহণের উপযোগী শিকড় বিস্তারে সাহায্য করে। তাই সহজে গাছ মরে না।
৬। আলোক ডলো প্রাইম ব্যবহারে ফসল/গাছ দৃঢ়ভাবে বেড়ে উঠে। ফলে ঝড় বৃষ্টিতে সহজেই গাছ হেলে বা ভেঙ্গে পড়ে না।