ব্যবহারের পূর্বে নিম্নের নির্দেশাবলী পড়ে নিন।
ইটুফিল-এম ৪৫ একটি বহুমুখী স্পর্শক গুনসম্পন্ন ছত্রাকনাশক। প্রতি কেজিতে ৮০০ গ্রাম সক্রিয় উপাদান মেনকোজেব আছে। ইহা আলুর লেট ব্লাইট রোগ দমনে কার্যকর।
প্রয়োগক্ষেত্র ও মাত্রাঃ
ফসল | রোগের নাম | প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ শতাংশ জমির জন্য | একর প্রতি মাত্রা | অনুমোদিত মাত্রা |
চা | ডাইব্যাক | ১০ গ্রাম | ৪০০ গ্রাম | ১ কেজি/হেক্টর |
আলু | লেট ব্লাইট | ২০ গ্রাম | ৮০০ গ্রাম | ২ কেজি/হেক্টর |
টমেটো | আর্লি ব্লাইট ও লেট ব্লাইট | ২০ গ্রাম | ৮০০ গ্রাম | ২ কেজি/হেক্টর |
ইটুফিল-এম ৪৫ সরাসরি স্প্রে মেশিনে না ঢেলে প্রথমে সামান্য পরিমান পানি দিয়ে সেই তৈরী করে নিন। তারপর লেই টুকু পেন্দ্র মেশিনে পানিতে ঢেলে ভাল করে মিশিয়ে নিন এবং সম্পূর্ন গাছে স্প্রে করুন। রোগের আক্রমনের উপর নির্ভর করে ৭ থেকে ১০ দিন অন্তর অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করুন।
ইটুফিল-এম ৪৫ শেষ প্রয়োগ ও ফসল তোলার মধ্যে ৭-১৪ দিন ব্যবধান রাখতে হবে।
সাবধানতাঃ গন্ধ নেয়া, গায়ে লাগানো, গিলে খাওয়া, স্প্রে করার সময় পানাহার ও ধুমপান নিষেধ। খালি গায়ে, খালি পেটে, বাতাসের বিপরীতে ও প্রখর রোদে স্প্রে করবেন না। মানুষ ও পশুখাদ্য হতে দূরে নিরাপদ স্থানে রাখুন। খালি প্যাকেট ছিদ্র করে মাটির নিচে নিরাপদ আয়গায় পুঁতে রাখুন।
বিষক্রিয়ার লক্ষণঃ মাথা ধরা, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, শরীর কম্পন, চোখ দিয়ে পানি পড়া, লালা পড়া, চোখের মণি ছোট হওয়া, শ্বাসকষ্ট, খিচুনি ইত্যাদি।
প্রাথমিক চিকিৎসাঃ অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে বালাইনাশক নিয়ে কাজ করা বন্ধ করুন। গায়ে লাগলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। গিলে খেলে বমি করান, অচেনত রোগীকে বমি করাবেন না। চোখে লাগলে চোখ খোলা রেখে প্রচুর পরিমানে পরিষ্কার পানির ঝাপটা দিন। অতিসত্ত্বর প্যাকেটসহ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
প্রতিষেধকঃ নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক নেই। লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করুন।