প্রতি লিটারে ২৫০ গ্রাম ট্রাইসাইক্লাজল ও ১৫০ গ্রাম ডাইফেনোকোনাজল আছে।
মাইনজল স্পর্শক, প্রবাহমান ও ট্রান্সল্যামিনার গুনসম্পন বহুমুখী ছত্রাকনাশক এটি ধানের শীথ ব্লাইট ও ব্লাষ্ট এবং আলুর স্টেমক্যাংকার রোগ দমনে অত্যান্ত কার্যকরী।
ব্যবহারের পূর্বেই লেবেলের নির্দেশাবলী ভালোভাবে পড়ুন।
প্রয়োগমাত্রা ও ব্যবহার বিধিঃ
ফসলের নাম | রোগের নাম | ৫ শতাংশ জমির জন্য (১০ লিটার পানিতে) | একর প্রতি |
ধান |
ধানের ব্লাস্ট ও শীথ ব্লাইট | ১০ মিলি | ২০০ মিলি |
সাবধানতাঃ ব্যবহারের সময় ধুমপান, আহার ও পানীয় গ্রহণ করবেন না। শরীরে লাগানো, গন্ধ ও স্বাদ নেওয়া নিষেধ। বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না। বৃষ্টির ঠিক আগে বা পরে বালাইনাশক স্প্রে করবেন না। স্প্রে করার পূর্বে নাক, মুখ ঢেকে নিন এবং চোখে চশমা ও গায়ে বস্ত্র পরিধান করুন। ব্যবহারের পর বালাইনাশকের খালি বোতল ভেঙ্গে মাটির নিচে পুতে ফেলুন এবং হাত, পা, মুখ ও কাপড়-চোপড় সাবান-পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন। মানুষ ও পশু খাদ্য থেকে দূরে এবং শুকনো ও ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। স্প্রে করার অন্তত ২৪ ঘন্টা ক্ষেতে হাঁস, মুরগী এবং ছাগল ঢুকতে দেবেন না। ক্ষেতে প্রয়োগের ৭-১৪ দিবসের মধ্যে ফসল তুলবেন না।
বিষক্রিয়ার লক্ষণঃ মানুষের উপর বিষক্রিয়ার কোন নজির নেই। গবেষনাগারে ইদুরের উপর প্রতিষেধক বিদ্ধ-ক্রিয়ার বমি বমি ভাব, মাথা ধরা, শরীর কাপা, খিচুনী, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি লক্ষণ দেখা গেছে।
প্রাথমিক চিকিৎসাঃ চোখে পড়লে ১০-১৫ মিনিট পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। গায়ে লাগলে প্রচুর সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কেউ দুর্ঘটনাক্রমে খেয়ে ফেললে বমি করাতে হবে। অচেতন রোগীকে বমি করানোর চেষ্টা করবেন না বরং রোগীকে বিশুদ্ধবায়ু প্রবাহিত হতে পারে এমন জায়গায় স্থানান্তরিত করুন। দ্রুত রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রতিষেধকঃ সুনির্দিষ্ট কোন প্রকার প্রতিষেধক নেই লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে।
সর্তকতাঃ মাইনঞ্জল ৪০ এখনি ব্যবহার করার শর স্প্রে মেশিন ভালোভাবে না নুয়ে অন্য বালাইনাশক ব্যবহার