এসট্রেইন ১৭.৫ ডাব্লিউ ডি জি
ব্যবহারের পূর্বে নিম্নের নির্দেশাবলী ভালোভাবে পড়ে নিন।
প্রতি কেজি এসট্রেইন ১৭.৫ ডাব্লিউ ডি জি-তে ইমিডাক্লোপ্রিড ১২.৫%+ ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন ৫% আছে। এসট্রেইন ১৭.৫ ডাব্লিউ ডি জি স্পর্শক, পাকস্থলী ও প্রবাহমান গুণসম্পন্ন পানিতে দ্রবনীয় অত্যাধুনিক দানাদার কীটনাশক।
প্রয়োগক্ষেত্র ও মাত্রা:
ফসল | রোগের নাম | প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ শতাংশ জমির জন্য | একর প্রতি মাত্রা | অনুমোদিত মাত্রা |
ধান | মাজরা, বিপিএইচ, হিসপা
| ২০ গ্রাম | ৩০০ গ্রাম | ৭৫০ গ্রাম/ হেক্টর |
বেগুন | ডগা ও ফল ছিদ্রকারী | ২০ গ্রাম | ৩০০ গ্রাম | ৭৫০ গ্রাম/ হেক্টর |
চা | টারমাইট | ২৫ গ্রাম | ৩৭৫ গ্রাম | ১০০০ গ্রাম/ হেক্টর |
সাবধানতাঃ খালি গায়ে, বাতাসের বিপরীতে ও প্রখর রোদে স্প্রে করবেন না। কাজের শেষে ব্যবহৃত কাপড় ও শরীর সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহারের সময় গন্ধ নেয়া, গায়ে লাগানো, গিলে খাওয়া, পানাহার ও ধূমপান নিষেধ। খাদ্যবস্তু ও পশুখাদ্য হতে দূরে নিরাপদ স্থানে তালাবদ্ধ করে রাখুন। খালি প্যাকেট অন্য কাজে ব্যবহার করবেন না, ছিড়ে মাটির নীচে পুঁতে রাখুন। এসট্রেইন ১৭.৫ ডাব্লিউ ডি জি শেষ প্রয়োগ ও ফসল তোলার মধ্যে ১৪ দিন ব্যবধান রাখা উচিৎ।
বিষক্রিয়ার লক্ষণ: বমি বমি ভাব, মাথা ধরা, অস্থিরতা, বমন, শ্বাসকষ্ট, পেটে ব্যথা ও ডায়রিয়া ইত্যাদি।
প্রাথমিক চিকিৎসা: বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে কীটনাশক নিয়ে কাজ করা বন্ধ করুন। রোগীকে ছায়াযুক্ত মুক্ত বায়ু চলাচল সমৃদ্ধ স্থানে বিশ্রামের ব্যবস্থা নিন। গায়ে লাগলে সাবান ও পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। চোখে লাগলে প্রচুর পরিমানে পরিস্কার পানির ঝাপটা দিন। গিলে খেলে বমি করান। অচেতন রোগীকে কিছু খাওয়াবেন না বা বমি করাবেন না। সত্ত্বর ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
প্রতিষেধক: নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক নেই। লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করুন।